সিলেট ৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৭ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ, মে ১৫, ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক : বালাগঞ্জ উপজেলার কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে সড়ক, সেতু ও বসতভিটাসহ বিস্তীর্ণ এলাকা বিলীন হয়ে গেছে। ফাজিলপুর ও পৈলনপুর গ্রামের মধ্যবর্তী অংশে নদীভাঙনের কারণে অন্তত ২০টি ঘরবাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। স্থানীয়রা জানান, নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও চর সৃষ্টির কারণে ভাঙন তীব্র হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, বাঁধ নির্মাণে বালুর অভাবে ঠিকাদার নিয়োগে ব্যর্থ হয়েছে। এলজিইডি জানিয়েছে, দুই বিভাগের সমন্বয়ে কাজ করতে বিলম্ব হচ্ছে। স্থানীয়রা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসী জানান, নদীর তীরবর্তী অনেক বাড়িঘর নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা বলেন, “নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, না হলে আরও ক্ষতি হবে।” স্থানীয় অটোরিকশা চালক সুমন আহমেদ বলেন, “সড়ক ভেঙে যাওয়ায় রোগী ও শিশুদের নিয়ে চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে।”
পাউবো সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও চর সৃষ্টির কারণে ভাঙন তীব্র হয়েছে। তিনি বলেন, “জিও ব্যাগ ফেলে জরুরি সংস্কারকাজের জন্য ঠিকাদার নিয়োগে চেষ্টা করা হলেও বালুর অভাবে ব্যর্থ হয়েছি।” এখন পুনরায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহে কাজ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী কে এম ফারুক হোসেন জানান, সড়ক সংস্কারে প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “পাউবো ও এলজিইডি দুই বিভাগের সমন্বয়ে কাজ করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে, তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
স্থানীয়রা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, যাতে নদীভাঙন রোধ করা যায় এবং তাদের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখা যায়।
সম্পাদক : সাদিকুর রহমান সাকী
Design and developed by EBN-HOST-BD