সিলেট ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২রা রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি
প্রকাশিত: ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ, মে ২৪, ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের চাঞ্চল্য। এক দশক আগে নিখোঁজ হওয়া এই নেতা ভারতের শিলং থেকে দেশে ফিরে এখন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায়। তবে তার গুম পর্ব, বিদেশবাস ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়ে ফেসবুকে আমেরিকা প্রবাসী সাংবাদিক ইকবাল মাহমুদের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। আর সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাবে সরব হয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতা অ্যাডভোকেট এমরান আহমেদ চৌধুরী। তিনি এক ফেইসবুক পোস্টে এর পাল্টা জবাব দিয়েছেন বেশ কড়া ভাষায়।
সাংবাদিক ইকবাল মাহমুদ তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন:
“২০১৬ সালে শিলংয়ে সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে দেখা করি। তিনি কোনো কারাগারে ছিলেন না। বরং বিলাসবহুল বাংলোয় বসে আমাদের সঙ্গে ঘণ্টাখানেক আড্ডা দেন। স্ত্রীকেও পাই তার সঙ্গে। এটি ‘গুম’ ছিল না—বরং রাজনৈতিক প্রশিক্ষণের অংশ।”
তার এই মন্তব্যে ফের প্রশ্ন উঠে—সালাহ উদ্দিন আদৌ নিখোঁজ হয়েছিলেন, না কি পরিকল্পিতভাবে বাইরে অবস্থান করছিলেন?
এ নিয়ে সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমেদ চৌধুরী কঠোর প্রতিক্রিয়ায় বলেন:
“সালাহ উদ্দিন ভাই বিএনপির প্রাণ। যিনি তাকে নিয়ে অপপ্রচার করছেন, তিনি নিজেও অতীতে ভারতীয় ‘র’-এর অর্থায়নে ৭১ টিভিতে কাজ করেছেন। গোপনে সাক্ষাৎও করেছেন সালাহ উদ্দিন ভাইয়ের সঙ্গে। আজ তিনি নিজেই বলছেন তিনি ‘র’-এর লোক? যদি তাই হয়, তাহলে তার অবস্থান কোথায়?”
তিনি আরও বলেন:
“এভাবে দলের নেতাদের নিয়ে কাল্পনিক তথ্য ছড়ানো বন্ধ করা উচিত। এদের অনেককেই আমরা দুধ-কলায় পুষেছি, আজ তারাই গা ঢাকা দিয়ে দলবিরোধী অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
এমরান আহমেদ চৌধুরী দাবি করেন:
দলীয় নেতাদের প্রতি এমন আচরণ শুধু রাজনৈতিক অপমান নয়, এটি বিএনপির ভিতরে ‘গুপ্ত অপারেশন’ চালানোর ইঙ্গিতও হতে পারে।
তিনি বলেন, “সন্দেহভাজন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দলের পর্যবেক্ষণে আনা এখন সময়ের দাবি।”
এদিকে ফেইসবুকে লেখা ইকবাল মাহমুদের পোস্ট শেয়ার হয়েছে ৮ হাজারেরও বেশি, মন্তব্য করেছেন প্রায় ১৫০০ জন।
সম্পাদক : সাদিকুর রহমান সাকী
Design and developed by EBN-HOST-BD